সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন
আপডেট সময় :
২০২৫-১১-০৪ ১৬:১৯:৫৫
সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন
মোঃ আরিফুল ইসলাম
ঢাকা আলিয়া প্রতিনিধি,
সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার আল-ফিকহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কামিল (মাস্টার্স) পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জনকারী তিনজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে আজ মঙ্গলবার সকাল দশ ঘটিকায় সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
জিপিএ ৪.০০ অর্জনকারী এই কৃতী শিক্ষার্থীরা তাদের অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে বিভাগের সুনাম ও মর্যাদাকে আরও সমুন্নত করেছেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণামূলক। উপস্থিত সবাই কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ওবায়দুল হক। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
আমাদের শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ অর্জন প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন। এটি শিক্ষকমণ্ডলীর নিষ্ঠা ও শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমের সম্মিলিত ফল। আমরা চাই, তারা শুধু পরীক্ষায় নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা ও মানবিকতার আদর্শে উজ্জ্বল হোক।
তিনি আরও বলেন, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া দীর্ঘ ঐতিহ্যের ধারক। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের জ্ঞান ও চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমি আশা করি, তাঁদের এই সাফল্য ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের জন্য হবে অনুপ্রেরণার আলোকবর্তিকা।
অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল-ফিকহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ সাদিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। তাঁদের পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সততার ফল আজ বিভাগকে গৌরবমণ্ডিত করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই অর্জন ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের জন্য হবে প্রেরণার আলোকবর্তিকা।
তিনি আরও বলেন, একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, চরিত্র গঠন ও ইসলামী মূল্যবোধের চর্চা বৃদ্ধি করা। আমরা চাই, তাঁরা ভবিষ্যতে সমাজ ও জাতির কল্যাণে আদর্শ সেবক হিসেবে অবদান রাখুক।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সাফল্য ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে এবং তাদের জ্ঞান, সাধনা ও চরিত্র গঠনে অনুপ্রাণিত করবে।
পরিশেষে, শিক্ষার্থীদের ইলম, আমল ও চরিত্রের উৎকর্ষ কামনা করে দোয়া করা হয় যাতে তারা দীনের খেদমতে নিবেদিতপ্রাণ সেবক হিসেবে গড়ে ওঠে.
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স